
সোমবার ভোর থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে ড্রোন ও হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়। অভিযানের ফলে ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে এবং কিছু অস্ত্র উদ্ধার করার তথ্য প্রকাশ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এই অভিযানের মাধ্যমে জঙ্গল সলিমপুরে আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এটি এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি উন্নত করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
অন্যদিকে, অতীতে এই এলাকায় অভিযান চালানোর সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা হামলার শিকার হয়েছেন। এটি তাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
শেষবারের মতো, ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুরে অভিযান চলাকালীন সন্ত্রাসী হামলায় র্যাব-৭-এর উপসহকারী পরিচালক মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া নিহত হন। এ ঘটনার পর প্রশাসন মাদক, অস্ত্র এবং বিভিন্ন বাহিনীর বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়।
তথ্য অনুযায়ী, এই অভিযানের প্রস্তুতি সম্পর্কে পুলিশের কর্মকর্তাদের বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে, এটি আগে থেকেই ফাঁস হয়ে গেছে। ফলে নিরাপত্তার দিক থেকে কিছুটা উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
চট্টগ্রাম রেঞ্জের পুলিশের ডিআইজি আহসান হাবিব পলাশ জানিয়েছেন, জঙ্গল সলিমপুরে পুলিশ ও র্যাবের দুটি স্থায়ী কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হবে। এটি এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে গৃহীত একটি পদক্ষেপ।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।